হ্যালো বন্ধুরা,
আমরা প্রায় সবাই চাই যে খুব অল্প কষ্ট করে বেশি টাকা আয় করতে। আমাদরে আত্মীয় স্বজনরো বিদেশে গিয়ে কাজ করে কেন? সেটা কি দেশে করে আয় করা যায় না? করা যায় কিন্তু আমাদের দেশে কাজ করলে যেখানে মাসে ১০০০০-২০০০০ টাকা আয় করা যাবে সেই কাজ বিদেশে করলে তার আয় হবে মাসে ৪০০০০-৫০০০০ টাকা। এটা হচ্ছে ২ দেশের currency এর কারণ। যেমন ঃ
আমেরিকার $১ = বাংলাদেশের ৮০ টাকা।
তার মানে আপনি ওই খানে কাজ করে $১০০০ আয় করলে তা বাংলাদেশের টাকায় ৮০০০০ টাকা হয়ে যায়। এই ব্যাপার গুলো সবাই বুঝনে নতুন কছিু না। আসনে মূল কোথায় আস
খুব কঠিন মনে হচ্ছে? কোন সমস্যা নাই। এক বিটকয়েন সমান কত ডলার তা জানলেই পাগল হয়ে যাবেন বিটকয়েন আয় করার জন্য।
১ বিটকয়েন সমান ৯০০০ ডলার । বাংলাদেশি টাকায় যার মূল্য ৭৬০,৮০০ টাকা। বিশ্বাস হচ্ছে না?
Google.com এ যান আর লিখুন ' Bitcoin = BDT ' তাহলে আপডেট মূল্য জানতে পারবেন।
তাহলে আর দেরি কেন? চলুন শুরু করি বিটকয়েন আয় করা।
প্রথমে এই লিঙ্কে যান। লিঙ্ক
তারপর আপনার ইমেইল আর পাসওয়ার্ড লিখে সাইন আপ করেন। তারপর ইমেইল কনফার্ম করেন। তারপর আপনি একটি বিটকয়েন অ্যাড্রেস পাবেন।এর জন্য বিটকয়েন অ্যাড্রেস ট্যাবে গিয়ে Create New Address এ ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন। ওইটি দিয়ে বিটকয়েন লেনদেন করতে পারবেন। ওয়ালেট তৈরি করা তো হল। এবার আর্ন শুরু করি।
বিশ্লেষণ ঃ
দেখা যাচ্ছে যে আপনি প্রতি ঘণ্টায় মাত্র ১ বার রোল করা যায়। যার কারণে আপনি প্রতিদিন বেশ থাকে বেশ [আপনার কপাল ভাল হলে :) ] ০.০০০০৫০০০ পর্যন্ত করতে পারবেন। আর আপনি যদি দিন এ ১৬ বার ফ্রি প্লে বিকল্পটি ব্যাবহার করেন [আর আপনার কপাল ভাল হল না] তাহলেও ০.০০০০৮৫৪৪ আয় করা যাবে। এই সাইট সত্যি পেইমেন্ট দেয়। পরীক্ষা করতে ১ দিন কাজ করে আপনার ব্যালেন্স ০.০০০৩০০০০ করুন আর রোববার এর জন্য অপেক্ষা করুন। যদি আপনার বিট কয়েন অ্যাকাউন্ট এ পেইমেন্ট আসে তারপর থেকে ভাল করে কাজে নামতে পারেন।
হ্যাঁ !!! আছে। এমনি একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে আপনি ০.৩-০.৫ বিট কয়েন আয় করতে পারবেন। তাহলে ১ বিট কয়েন হতে ২-৩ দিন সময় লাগবে।
এই সাইট এর মাধ্যমে আপনার বিট কয়েন থেকে Paypal, PM, OKPAY, VISA/Master Card, Payeer এ নিয়ে যেতে পারবেন।
আর Paypal, PM, OKPAY, VISA/Master Card, Payeer এই থাকে কীভাবে টাকা তে আনবেন আশা করি সেটা সবার জানা আছে।
আমার গবেষণা চলবেই... এর চেয়ে ভাল method নিয়ে সামনে আবারো হাজির হব।
আমরা প্রায় সবাই চাই যে খুব অল্প কষ্ট করে বেশি টাকা আয় করতে। আমাদরে আত্মীয় স্বজনরো বিদেশে গিয়ে কাজ করে কেন? সেটা কি দেশে করে আয় করা যায় না? করা যায় কিন্তু আমাদের দেশে কাজ করলে যেখানে মাসে ১০০০০-২০০০০ টাকা আয় করা যাবে সেই কাজ বিদেশে করলে তার আয় হবে মাসে ৪০০০০-৫০০০০ টাকা। এটা হচ্ছে ২ দেশের currency এর কারণ। যেমন ঃ
আমেরিকার $১ = বাংলাদেশের ৮০ টাকা।
তার মানে আপনি ওই খানে কাজ করে $১০০০ আয় করলে তা বাংলাদেশের টাকায় ৮০০০০ টাকা হয়ে যায়। এই ব্যাপার গুলো সবাই বুঝনে নতুন কছিু না। আসনে মূল কোথায় আস
প্রথমে জেনেনি বিট কয়েন কি?
বিটকয়েন হল লেনদেন হওয়ার সাংকেতিক মুদ্রা। ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এই মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন করেন। তিনি এই মুদ্রাব্যবস্থাকে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেন নামে অভিহিত করেন। বিটকয়েনের লেনদেনটি বিটকয়েন মাইনার নামে একটি সার্ভার কর্তৃক সুরক্ষিত থাকে। পিয়ার-টু-পিয়ার যোগাযোগ ব্যাবস্থায় যুক্ত থাকা একাধিক কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মধ্যে বিটকয়েন লেনদেন হলে এর কেন্দ্রীয় সার্ভার ব্যবহারকারীর লেজার হালনাগাদ করে দেয়। একটি লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে নতুন বিটকয়েন উৎপন্ন হয়। ২১৪০ সাল পর্যন্ত নতুন সৃষ্ট বিটকয়েনগুলো প্রত্যেক চার বছর পরপর অর্ধেকে নেমে আসবে। ২১৪০ সালের পর ২১ মিলিয়ন বিটকয়েন তৈরী হয়ে গেলে আর কোন নতুন বিটকয়েন তৈরী করা হবে না। বিটকয়েন হল লেনদেন হওয়ার সাংকেতিক মুদ্রা। ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এই মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন করেন। তিনি এই মুদ্রাব্যবস্থাকে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেন নামে অভিহিত করেন। বিটকয়েনের লেনদেনটি বিটকয়েন মাইনার নামে একটি সার্ভার কর্তৃক সুরক্ষিত থাকে। পিয়ার-টু-পিয়ার যোগাযোগ ব্যাবস্থায় যুক্ত থাকা একাধিক কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মধ্যে বিটকয়েন লেনদেন হলে এর কেন্দ্রীয় সার্ভার ব্যবহারকারীর লেজার হালনাগাদ করে দেয়। একটি লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে নতুন বিটকয়েন উৎপন্ন হয়। ২১৪০ সাল পর্যন্ত নতুন সৃষ্ট বিটকয়েনগুলো প্রত্যেক চার বছর পরপর অর্ধেকে নেমে আসবে। ২১৪০ সালের পর ২১ মিলিয়ন বিটকয়েন তৈরী হয়ে গেলে আর কোন নতুন বিটকয়েন তৈরী করা হবে না।
খুব কঠিন মনে হচ্ছে? কোন সমস্যা নাই। এক বিটকয়েন সমান কত ডলার তা জানলেই পাগল হয়ে যাবেন বিটকয়েন আয় করার জন্য।
১ বিটকয়েন সমান ৯০০০ ডলার । বাংলাদেশি টাকায় যার মূল্য ৭৬০,৮০০ টাকা। বিশ্বাস হচ্ছে না?
Google.com এ যান আর লিখুন ' Bitcoin = BDT ' তাহলে আপডেট মূল্য জানতে পারবেন।
তাহলে আর দেরি কেন? চলুন শুরু করি বিটকয়েন আয় করা।
প্রথমে এই লিঙ্কে যান। লিঙ্ক
তারপর আপনার ইমেইল আর পাসওয়ার্ড লিখে সাইন আপ করেন। তারপর ইমেইল কনফার্ম করেন। তারপর আপনি একটি বিটকয়েন অ্যাড্রেস পাবেন।এর জন্য বিটকয়েন অ্যাড্রেস ট্যাবে গিয়ে Create New Address এ ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন। ওইটি দিয়ে বিটকয়েন লেনদেন করতে পারবেন। ওয়ালেট তৈরি করা তো হল। এবার আর্ন শুরু করি।
পদ্ধতি ............
প্রথমে এই লিঙ্কে যান= বিটকয়েন (এই লিঙ্ক ব্যাবহার কারি অ্যাকাউন্ট খুললে আমার সব রকমের সহযোগিতা এবং আমার ইনকামের একটা অংশ পাবেন )। তারপর আপনার বিটকয়েন অ্যাড্রেস, ইমেইল, পাসওয়ার্ড লিখে সাইন আপ করুন। ইমেইল ভেরিফাই করার দরকার নেই কিন্তু ইমেইলটি সক্রিয় থাকা আবশ্যক কারন আপনার পাসওয়ার্ড বা পেমেন্ট সম্পর্কিত সব ধরনের তথ্যই আপনার মেইল এ যাবে।সঠিকভাবে সাইনআপ করলে আপনি দেখবেন টাইম কাউন্টডাউন হওয়া শুরু হয়েছে। সাইন আপ হয়ে গেলে আপনি ফ্রি প্লে বিকল্পটি পাবেন সেখানে সুধু ক্যাপচাটি প্রবেশ করিয়ে রোল এ ক্লিক করুন।ক্যাপচা সঠিক হলে ডান পাশে উপরে দেখবেন আপনার ব্যালেন্স যোগ হয়েছে।আর আপনার ব্যালেন্স ০.০০০৩০০০০ বিটকয়েন আয় হলে সেটা সয়ংক্রিয়ভাবে আপনার বিটকয়েন ওয়ালেট এ চলে যাবে যদি আপনার Auto-Withdraw ENABLED (DETAILS) রেডিও বোতামে চেক করা থাকে।প্রত্যেক রবিবারে এরা পেমেন্ট দিয়ে থাকে।আর প্রত্যেকটি সফল লেনদেন এর সাথে সাথে আপনাকে ইমেইলে জানিয়ে দেয়।বিশ্লেষণ ঃ
দেখা যাচ্ছে যে আপনি প্রতি ঘণ্টায় মাত্র ১ বার রোল করা যায়। যার কারণে আপনি প্রতিদিন বেশ থাকে বেশ [আপনার কপাল ভাল হলে :) ] ০.০০০০৫০০০ পর্যন্ত করতে পারবেন। আর আপনি যদি দিন এ ১৬ বার ফ্রি প্লে বিকল্পটি ব্যাবহার করেন [আর আপনার কপাল ভাল হল না] তাহলেও ০.০০০০৮৫৪৪ আয় করা যাবে। এই সাইট সত্যি পেইমেন্ট দেয়। পরীক্ষা করতে ১ দিন কাজ করে আপনার ব্যালেন্স ০.০০০৩০০০০ করুন আর রোববার এর জন্য অপেক্ষা করুন। যদি আপনার বিট কয়েন অ্যাকাউন্ট এ পেইমেন্ট আসে তারপর থেকে ভাল করে কাজে নামতে পারেন।
Secret method:
যেটা জানার জন্য আপনারা অপেক্ষা করছিলেন। সত্যি প্রতিদিন ১ মিনিট করে হলেও ১৬ ঘণ্টায় ১৬ মিনিট সময় দিয়ে যদি ০.০০০০৮৫৪৪ হয় তাহলে তো ১ বিট কয়েন হতে ১১০০০+ দিন লাগবে । এমন কিছু কি আছে যার মাধ্যমে অন্তত প্রতিদিন ০.৩-০.৫ বিট কয়েন আয় করা যাবে????
হ্যাঁ !!! আছে। এমনি একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে আপনি ০.৩-০.৫ বিট কয়েন আয় করতে পারবেন। তাহলে ১ বিট কয়েন হতে ২-৩ দিন সময় লাগবে।
পরামর্শ ঃ আপনি এই Secret method ব্যাবহার করার আগে আপনার ব্যালেন্স অন্তত ০.০০০৫০০০০ করে নিন। না হয় আপনার লস হওয়ার সম্ভনা বেশি। আর আপনার ব্যালেন্স ০.০০১০০০০০ হলেই
MANUAL WITHDRAW সিস্টেমে আপনার ব্যালেন্স WITHDRAW করে ফেলুন।
কীভাবে Bitcoin থেকে টাকা করবেন???
প্রথমে এই লিঙ্কে যান ঃ লিঙ্ক
এই সাইট এর মাধ্যমে আপনার বিট কয়েন থেকে Paypal, PM, OKPAY, VISA/Master Card, Payeer এ নিয়ে যেতে পারবেন।
আর Paypal, PM, OKPAY, VISA/Master Card, Payeer এই থাকে কীভাবে টাকা তে আনবেন আশা করি সেটা সবার জানা আছে।
আমার গবেষণা চলবেই... এর চেয়ে ভাল method নিয়ে সামনে আবারো হাজির হব।

This comment has been removed by a blog administrator.
ReplyDeleteI want to ear bit coin..
ReplyDeleteবিট কয়নের একাউন্ট খুলতে পারতেছি নি প্লিজ হ্যাল্প
ReplyDeleteYes
Deleteইনকাম করতে চাই
ReplyDeleteYes
DeleteI want setup system
ReplyDeleteYes
ReplyDeleteV.v.nice
ReplyDeleteYes
ReplyDelete